নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইসির চূড়ান্ত নিবন্ধন পেল ৬৬ দেশি সংস্থা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট (হুমকি মূল্যায়ন) করে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন—এই তিন স্তরে এলাকা ভাগ করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান সিইসি।
নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইসির সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাকপ্রস্তুতিমূলক বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। আগামী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা করে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় সংস্থাটি।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর করার জন্য কমিশন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম ও তাৎপর্যপূর্ণ। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। নির্বাচন পরিচালনা একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব। কমিশনের একার পক্ষে দেশব্যাপী এক দিনে নির্বাচনের মতো এতোবড় কর্মযজ্ঞ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এ জন্য সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
সিইসি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে অনেক প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে। সমন্বয় এবং আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতা দূর করা সম্ভব হবে। ২০০৮ এর নির্বাচনের পর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ থেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় সশস্ত্রবাহিনীকে বাদ দেওয়া হয়েছিলো। বর্তমান কমিশন সশস্ত্রবাহিনীকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় অর্ন্তভুক্তির উদ্যোগ নিয়েছে। নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর কতো সংখ্যক সদস্য নিয়োগ হলো তা গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ হলো তারা পেশাদারত্ব ও আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে কি না। অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে সমন্বয়ের বিকল্প নেই।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে সিইসি বলেন, থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট করে ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান করতে হবে। রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে বিভক্ত করে পরিকল্পনা করতে হবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষের মাঝে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নির্বাচনি কার্যক্রমকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
ডেস্ক/ই.ই
মন্তব্য করুন: