প্রকাশিত:
১৭ সেপ্টেম্বার ২০২৬, ২৩:২৮
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) উদ্যোগে ‘শরৎ সমীকরণ ১৪৩৩’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ মার্কেটের সামনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবুল কালাম আজাদ সুইট বলেন, শরৎ বাংলাদেশের ছয় ঋতুর তৃতীয় ঋতু। বর্ষার শেষ থেকে শীতের আগমনের আভাস নিয়ে আসে শরৎ। এ সময় দেশের নদী-নালা, খাল-বিল পানিতে ভরে ওঠে এবং প্রকৃতিতে সাদা কাশফুলের সমারোহ দেখা যায়।
তিনি বলেন, ‘আমরা অনেকেই জানি না যে আমাদের এই ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশে কখন কোন ঋতু আসে, কখন কীভাবে সময়ের পরিবর্তন হয়। বাংলাদেশের নিজস্ব সংস্কৃতি ও অনুষ্ঠানগুলোও আমরা প্রায় হারাতে বসেছি।’
জাসাসের উদ্যোগে এমন আয়োজন করায় সংগঠনটির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যস্ততার মধ্যেও তারা বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে। জাসাসের পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পাশেও থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
আবুল কালাম আজাদ সুইট বলেন, ‘জাসাস যেমন প্রত্যেকটি ঋতুতে তাদের প্রোগ্রাম করবে, বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরবে, উপস্থাপন করবে, বাংলাদেশকে উপস্থাপন করবে ।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, রাজশাহী কলেজে পড়ার সময় ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি এবং পরবর্তীতে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে উল্লেখ করেন।
ছাত্রদলের রাজনীতিতে থাকাকালে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার বিভিন্ন স্মৃতিও তুলে ধরেন তিনি। শিক্ষার্থীদের বিপদে-আপদে পাশে থাকা এবং তাদের লেখাপড়ায় সহযোগিতা করার কথা উল্লেখ করে তিনি ।
তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জাসাসের নেতৃবৃন্দকে ক্যাম্পাসের গণ্ডির বাইরে গিয়ে রাজশাহী মহানগরের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং আগামীতে থাকব ইনশাআল্লাহ।’
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে জাসাসের শিল্পীরা বিভিন্ন গান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন।
এস.এম/আ.আ
মন্তব্য করুন: