[email protected] ঢাকা | সোমবার, ১৮ই মে ২০২৬, ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
thecitybank.com

ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করলো বিশ্বের বৃহৎ মুসলিম দেশ

চাঁপাই জার্নাল ডেস্ক:

প্রকাশিত:
১৭ মে ২০২৬, ২০:২৭

প্রতিকী ছবি

পবিত্র ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করেছে বিশ্বের বৃহৎ মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া। রোববার সন্ধ্যার দিকে দেশটির ধর্ম মন্ত্রণালয় দেশটিতে জিলহজ মাস শুরু ও পবিত্র ঈদুল আজহার ওই তারিখ ঘোষণা করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম মন্ত্রণালয় বলেছে, ১৪৪৭ হিজরি সনের জিলহজ মাস আগামী ১৮ মে (সোমবার) থেকে শুরু হবে। সেই অনুযায়ী, দেশটিতে আগামী ২৭ মে (বুধবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

দেশটির বার্তা সংস্থা আনতারার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার রাজধানী জাকার্তায় আয়োজিত চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে ধর্মমন্ত্রী নাসারুদ্দিন উমর বলেছেন, ‘‌‘চাঁদের হিসাব ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, ১৪৪৭ হিজরি সনের ১ জিলহজ হবে আগামী ১৮ মে। ফলে দেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে ২৭ মে (বুধবার)।’’

ইন্দোনেশিয়ার ৮৮টি ভিন্ন ভিন্ন স্থানে পরিচালিত নতুন চাঁদ দেখার ফলাফলের ভিত্তিতে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পর্যবেক্ষণের ফলাফলে দেখা গেছে, নতুন চাঁদের অবস্থান ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরের ধর্মমন্ত্রীদের নির্ধারিত মানদণ্ড ছাড়িয়ে গেছে। হিজরি মাস শুরুর জন্য এই মানদণ্ড অনুযায়ী, চাঁদের উচ্চতা কমপক্ষে ৩ ডিগ্রি এবং কৌণিক দূরত্ব ৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি হতে হয়।

দেশটির ধর্মমন্ত্রী নাসারুদ্দিন উমর বলেন, বৈঠকে উপস্থাপিত চাঁদ দেখার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে আলেম-ওলামা, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া তথ্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের চাঁদ দেখা কমিটির তৈরি গাণিতিক ও জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত হিসাব বা হিসাব পদ্ধতির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে।

এর আগে, সিঙ্গেল গ্লোবাল হিজরি ক্যালেন্ডার (কেএইচজিটি) অনুসরণ করে ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় সংগঠন ‘মুহাম্মাদিয়াহ’ও বলেছিল, আগামী ২৭ মে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, ৯ জিলহজ বা আরাফাত দিবস হবে ২৬ মে (মঙ্গলবার) এবং জিলহজ মাস শুরু হবে ১৮ মে (সোমবার)।

সংগঠনটি বলেছে, এই সিদ্ধান্ত ‘গ্লোবাল ক্যালেন্ডার প্যারামিটার’ (পিকেজি) ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত গণনার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে। বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের জন্য হিজরি মাস শুরুর সময় একীভূত করার লক্ষ্যে এই ব্যবস্থাটির নকশা করা হয়েছে।

এই ব্যবস্থায় মাসের শুরু নির্ধারণ এখন আর কোনও জাতীয় সীমানার ওপর নির্ভর করে না, বরং বিশ্বজুড়ে চাঁদের দৃশ্যমানতার বৈশ্বিক নীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।

সূত্র: আনতারা, গালফ নিউজ/ডেস্ক/আ.আ


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর