প্রকাশিত:
৬ মার্চ ২০২৬, ২২:১৭
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা বলেছেন, "তারেক রহমান আমাদের উনি ভালো মানুষ। কিন্তু উনি ভালো যেন না থাকে এজন্য অনেকেই চেষ্টা চালাচ্ছে। তার পেছনে যারা আছে, এমনকি প্রতিবেশী যারা আছে তারা তো তাকে ভালো থাকতে দেবে না।"
শুক্রবার (৬ মার্চ) কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাস রুপনগর আদর্শপাড়া জামে মসজিদে জুম্মার নামাজের খুতবার আগে আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, "এখন সে তার নিজেকে বাঁচাতে জন্য হলেও তার মায়ের মতো। শেষ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে যারা আজ মানুষের বাড়িঘর লুট করছে, মানুষকে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। এমনকি যে মানুষগুলো সুখে শান্তিতে থাকতে দেয় না অস্থিতিশীল করে তুলে। এই যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলেন এরপর আরও যে সমস্ত কাজ কারবার আছে এগুলো তকমা যখন জঙ্গি নামে পরিচিত হয়ে যাবে। কারণ একজন মানুষ বাড়িতে ঘুমিয়ে আছে,আপনি যেয়ে মানুষের বাড়িতে কোপাচ্ছেন। এগুলো কুষ্টিয়াতে কিছু ঘটেনি না ঘটতেছে। এর প্রমান এই যে ভাদালিয়া-বড়িয়া।এরপরে আমাদের মনোহরদিয়া, কালকে বটতৈলে, কুমারগাড়া এই সমস্ত জায়গায় গুলোতে পর্যবেক্ষণ চলছে কিন্তু।"
আমির হামজা বলেন,"একটা মানুষ হেটে যাচ্ছে তারে আপনি পিটিয়ে দুইটা পা ভেঙে দিলেন। এটাকে মনে করেছেন এই শেষ। এর কি কোন ফলাফল নেই। এই গুলো যখন বেশি হয়ে যাবে এই ২২ দিনে যা দেখিয়েছে এই নিয়ে উনি (তারেক রহমান) চিন্তায় আছে।"
আমির হামজা আরও বলেন, "ইফতারি অনুষ্ঠান ছিল ঢাকাতে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তারেক রহমান। উনার সাথে আমার পাশাপাশি সিট পড়েছিল কথা বলছিলাম। আমারে বলছে মাওলানা আমার বাবার জন্য দোয়া করেন এগুলো আমি দেখি। আমি বললাম আপনিও বাবার মতো হন আপনার জন্যও দোয়া করবো। আপনার বাবা যা করেছিল ওইভাবে আপনিও কাজ করবেন আপনার জন্য দোয়া করবো। আরও অনেকগুলো কথা আমাকে শুনিয়েছে।আমাকে উপদেশ দিয়েছে,আমরা ওইভাবে চলতে পারি।"
হামজা বলেন,"আমি চিন্তা করে দেখেছি উনার (তারেক রহমান) এই সাড়ে তিন হাত বডি,বিশেষ করে এই চেহারার ভেতরে চিন্তার ছাপ। এটাতো এমনি তৈরি হয়নি। উনি এই মাত্রা ১৮-১৯ দিনের দৃশ্যগুলো তিনি দেখেছেন যে এতো কন্টোলের বাইরে চলে যাচ্ছে। যেই বদনামটা ছিল ফ্যাসিস্টদের সেই বদনাম এখন আমার দলের লোকজনের উপরে আসছে।"
হামজা আরও বলেন,"শেষ পর্যন্ত আমার মনে হয়,উনার মায়ের (খালেদা জিয়া) মতো সিদ্ধান্ত নিতে উনি বাধ্য হবেন। আপনি যাই করেন না কেন,আপনাকে কন্ট্রোলে আনার জন্য শেষ হয় র্যাব দিয়ে। না হয় এই রকম নতুন কোন বাহিনী তৈরি করে আপনাকে হয়তো বিদায় করবে। তার নিজেকে বাঁচানোর জন্য হলেও।"
জামায়াতের এই সংসদ সদস্য বলেন, "আমি আপনাদের সতর্ক করছি আপনি আমাদের এলাকায় মানুষ। আপনি আমার ভোটার হন ,না ভোটার হন ওইতা নাই। আমার চার লাখ ভোটার এখানে সবাই আমার কাছে আপন। আপনি সামনে বিপদে পড়বেন। এটা বাস্তবতা,এটা আমি দেখতে পারছি। এই জন্য আপনাদের সতর্ক করলাম আসেন সবাই আমরা মজলুম ছিলাম। আমরা যেন এখন জালেম না হয়ে উঠি। আপনি কি করবেন জুলুম করে।ওই লোকটার আখেরাত তৈরি হয়ে যাচ্ছে। আর আপনার দুনিয়া-আখেরাত সব ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।"
ডেস্ক/আ.আ
মন্তব্য করুন: