প্রকাশিত:
৪ আগষ্ট ২০২৬, ২১:৩১
রাজশাহীর তানোর উপজেলার তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে একটি নবনির্মিত কলেজ ভবনের উদ্বোধন এবং দুটি নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবিবা খাতুন প্রধান অতিথি হিসেবে পৃথক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এসব উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
এদিন তিনি কোয়েল হাট কলেজের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি কৃষ্ণপুর আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজ এবং কৃষ্ণপুর বায়তুন নুর দাখিল মাদ্রাসার নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে কৃষ্ণপুর আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে কলেজ কর্তৃপক্ষ আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবিবা খাতুন বলেন, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক, আধুনিক শিক্ষা পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। সরকার শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং দেশের প্রতিটি অঞ্চলে শিক্ষার প্রসারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন নেসকোর নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব ও সাবেক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিন।
কৃষ্ণপুর আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, পাঁচন্দর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং কোয়েল হাট কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মজিবুর রহমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানোর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও চান্দুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন।
তানোর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম মুর্তুজা ও সদস্য সচিব শরিফ উদ্দিন মন্সী অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাধাইড় ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান হেনা, তানোর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার, কোয়েল হাট কলেজের অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, কৃষ্ণপুর আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আতাউর রহমান, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সারোয়ার জাহান, পাঁচন্দর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গাফ্ফারসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এস.এম/আ.আ
মন্তব্য করুন: